welcome to gaffer.webs

Subtitle

view:  full / summary

bangla movie

Posted by আব্দুল গাফফার on October 20, 2012 at 3:15 PM Comments comments (0)

এই খানে বাংলা ৫০টি একশন মুভি দেখতে পাবেন http://www.banglamovieonline.yolasite.com

gener kotha

Posted by আব্দুল গাফফার on October 2, 2012 at 1:40 PM Comments comments (0)

 

উপকারী কিছু আরবী প্রবাদ-বাংলা অনুবাদ

❖ বুদ্ধির সীমা আছে কিন্তু বোকামীর কোন সীমা নেই।

❖ জ্ঞানী মূর্খকে চিনতে পারে কেননা সে জ্ঞানী। পক্ষান্তরে মূর্খ জ্ঞানীকে চিনতে পারে না, কেননা সে মূর্খ।

❖ বন্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই প্রবল হয় ছাতার ততই প্রয়োজন পড়ে।

❖ পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়। বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার।

❖ ভূল করা দোষের কথা নয় বরং ভূলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষণীয়।

❖ মানুষের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে অর্থ উপার্জন করতে যেও না। কারণ, বন্ধুত্ব স্থাপনই অর্থাপর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

❖ মানুষের সাথে সে রূপ আচরণ কর যেমন তারা পছন্দ করে। নিজের পছন্দ মাফিক আচরণ কর না।

❖ তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ হল তর্কে না জড়ানো।

❖ আহমকের সাথে তর্ক কর না। কারণ, মানুষ হয়ত দুজনের মাঝে পার্থক্য করতে ভূল করবে।

❖ তোমার স্ত্রীর রুচি বোধকে অবমূল্যায়ণ কর না। কারণ, সে তোমাকে প্রথম পছন্দ করেছে।

❖ তোমার পিঠে কেউ ততক্ষণ পর্ন্তত চড়তে পারবে না যতক্ষণ না তুমি পিঠ নিচু কর।

❖ তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালচানার পাত্র হবে।

❖ যে অধিকার আদায়ের পেছনে চেষ্টা চালানো হয় তা কখনই বৃথা যায় না।

❖ ইমাম মুসলিম (রহ) বলেন: “শরীরকে আরামে রেখে জ্ঞানার্জন করা সম্ভব নয়।”

❖ বেলাল বিন রাবাহ (রহ:) বলেন: “পাপ ছোট কি না তা দেখনা বরং দেখ যার অবাধ্যতা করছ তিনি কত বড়।

❖ রাফেঈ বলেন: “যদি তুমি দুনিয়াকে নতুন কিছু উপহার দিতে না পার তবে তুমি দুনিয়ার একটি বোঝা।”

❖ মিসরীয় সাহিত্যিক আব্বাস মাহমুদ আক্কাদ বলেন: “তিনটি ভাল বই একবার করে পড়ার চেয়ে একটি ভাল বই তিনবার পড়া বেশি উপকার 

১) পৃথিবীটা লবণাক্ত পানির মত। যতই তা পান করবে পিপাসা ততই বাড়বে।

২)তুমি পাহাড়ের চুড়ার মত হইয়ো না। কারণ, এতে তুমি মানুষকে ছোট দেখবে আর মানুষও তোমাকে ছোট দেখবে।

৩)চিরকাল অন্ধকারকে গালমন্দ না করে ছোট্ট একটি বাতি জ্বালানো অনেক ভাল।

৪)সব কিছু জানা তোমার জন্য আবশ্যক নয়। কিন্তু যা কিছু বলছ তার সবটুকু সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

৫)কুপে থুথু ফেলনা। কারণ, হয়ত কখনো তোমার এ কুপ থেকে পানি পান করার প্রয়োজন হতে পারে।

৬)গাছ থেকে যখন আপেল পড়ল তখন সবাই বলল, গাছ থেকে আপেল পড়েছে। কিন্তু সব মানুষের মধ্যে এক ব্যক্তিই শুধু জানতে চাইল কেন আপেলটি পড়েছে?

 ৭)(আর তার মাধ্যমেই আবিষ্কৃত হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।)

৮)জীবন চলার পথে পড়ে আছে অসংখ্য পাথর। এতে তোমার চলার পথ যেন থেমে না যায়। বরং পাথরগুলো কুড়িয়ে তৈরি কর সাফল্যের সিঁড়ি।

৯)যে হিংসা করে সে সবার আগে নিজের ক্ষতি করে।

১০) আত্মতৃপ্তিতে ভোগা সংকীর্ণ জ্ঞানের পরিচয়।

১০) যে অল্পতে তুষ্ট থাকে তার কাছে এ পৃথিবীর সব কষ্ট সহজ হয়ে যায়।

১১) যদি নিজে নিজের ‘বিবেক’কে বড় মনে কর তবে শত্রু সৃষ্টি হবে আর যদি ‘হৃদয়’কে বড় কর তবে বন্ধু বৃদ্ধি হবে।

১২) যার ভুল হয় সে মানুষ আর যে ভুলের উপর স্থির থাকে সে শয়তান।

১৩) বাকপটু ও নির্বোধের সাথে তর্কে যেও না। কারণ, বাকপটু তোমাকে কথায় পরাজিত করবে আর নির্বোধ তোমাকে কষ্ট দিবে 

১৪) সম্পদ আসে কচ্ছপের মত আর যায় হরিণের মত।

১৫) নির্বোধের কথার উত্তর না দেয়াই তার উত্তর।

১৬) চরিত্রের কারণেই অনেক সম্মানিত ব্যক্তি সম্মান হারিয়েছে আবার অনেক নগণ্য ব্যক্তি কুড়িয়েছে বিরাট সম্মান।

১৭) কোন ঘুমন্ত লোকের নিকট বসে থাকা আর কোন ঘুমন্ত লোকের পাশে না ঘুমানো ভদ্রতার ব্যপার।

১৮) যে কাউকে বিশ্বাস করে না তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।

১৯) কোন মানুষকে সম্মান করা তার হৃদয়ের মনি কোঠায় প্রবেশের চাবির সমতুল্য।

২০) কোন জিনিসই অতিরিক্ত হওয়া ভাল নয় দুটি জিনিস ছাড়া। এক: জ্ঞান দুই: ভদ্রতা।

২১) বিপদে হা হুতাশ করা আরেকটি বিপদ।

২২) জ্ঞানীর সম্পদ হল তার জ্ঞান আর মূর্খের সম্পদ হল তার অর্থ।

২৩) যদি বাঘের দাঁত বের হয়ে থাকতে দেখ তবে মনে কর না যে, সে হাঁসছে।

২৪) জ্ঞানী আগে চিন্তা করে পরে কথা বলে আর নির্বোধ আগে কথা বলে পরে চিন্তা করে।

২৫) যে অন্যের বিপদাপদ দেখে তার নিকট নিজের বিপদ তুচ্ছ হয়ে যায়।

২৬) যার গোপনীয়তা প্রকাশ পেয়ে যায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের সংখ্যা বেড়ে যায়।

২৭) প্রকৃত বন্ধুরা তারকার মত। তারকা সব সময় দেখা যায় না কিন্তু সেগুলো আকাশেই থাকে।

২৮) ঘোড়াকে জোর করে পানিতে টেনে নেয়া সম্ভব। কিন্তু তাকে জোর করে পানি পান করানো সম্ভব নয়।

২৯) ঝাড়ুদারের পেশা হল আবর্জনা পরিস্কার করা। আর যারা তাদেরকে ঘৃণা করে তাদের পেশা হল: নোংরা ও আবর্জনা সৃষ্টি করা।

৩০) ব্যর্থ মানুষেরা দু প্রকার। এক প্রকার হল, যারা কাজের চিন্তা করেছে কিন্তু কাজ করে নি। আরেক প্রকার হল, যারা কাজ করেছে কিন্তু চিন্তা করে তা করে নি।

৩১) কথা বলার আগে বিষয় নির্বাচন করুন। আর বিষয় নির্বাচনে পর্যাপ্ত সময় নিন যাতে তা পরিপক্ব হয়। কারণ, মানুষের কথাগুলো ফলের মত। সেগুলো পরিপক্ব হতে পর্যাপ্ত সময়ের প্রয়োজন।

৩২) ছোট খাট বিষয়ে বিতর্ক করলে প্রচুর সময় নষ্ট হয়। কারণ, আমাদের মাঝে এমন অনেক লোক আছে যারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের চেয়ে ছোট-খাট বিষয়গুলো সম্পর্কে বেশি জ্ঞান রাখে।

৩৩) মানুষ যখন কারো প্রশংসা করে তখন খুব কম লোকেই তা বিশ্বাস করে। কিন্তু যখন কিনা কারো বদনাম করা হয় তখন প্রায় সবাই তা বিশ্বাস করে।

৩৪) যখন অনেক উঁচু স্তরে পৌঁছে যাও তখন নিচের দিকে তাকাও যেন দেখতে পাও কারা তোমাকে এ পর্যায়ে পৌঁছতে সাহায্য করেছে। আর আকাশের দিকে তাকাও যেন আল্লাহ তোমার পদযুগল স্থির রাখেন। অর্থাৎ যেন আল্লাহ তোমার এ মর্যাদা ধরে রাখেন।

৩৫) যখন হতাশা জীবনকে ঘিরে ফেলে তখন হতাশার সাগরে আশার সেতু রচনা করুন জীবন হয়ে উঠবে সুন্দর।

৩৬) মানুষ (তোমার কথায় বিরক্ত হয়ে) তাদের কান বন্ধ করার আগে তুমি নিজের মুখ বন্ধ কর আর মানুষ (তোমার বিরুদ্ধে) মুখ খোলার আগে নিজের কান খোল তবেই তুমি সফল মানুষ হবে।

৩৭) যে ব্যক্তি দ্বিমুখী নীতি নিয়ে জীবন যাপন করে সে ব্যক্তি যখন মারা যায় তার কোন নীতিই থাকে না।

৩৮) রাগ অবস্থায় যদি কথা বল তবে এমন কথা বলে ফেলতে পর যার জন্য তুমি সারা জীবন লজ্জিত থাকবে।

৩৯) সচ্চরিত্র মানুষের অনেক খারাপ দিককে ঢেকে দেয় যেমন অসৎ চরিত্র অনেক ভাল দিককে ঢেকে দেয়।

৪০) তোমার শক্তিমত্তা যখন তোমাকে অন্যায়-অবিচারের দিকে আহবান করে তখন আল্লাহর শক্তিমত্তার কথা স্মরণ কর।

৪১) নীতি হীন মানুষ কাঁটা হীন ঘড়ির মত।

৪২) মানুষের অস্থির ধমনীকে শান্ত করার জন্য উপযুক্ত সময়ে একটি সুন্দর কথা বলার চেয়ে কার্যকরী কোন চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয় নি।

৪৩) সততা একটি ছোট গাছের মত। সেটি লাগানোর পর পরিচর্যা নেয়া প্রয়োজন যেন তা শক্ত হয় ও বৃদ্ধি পায়।

৪৪) নম্রতার মাধ্যমে যা অর্জন করা যায় কঠোরতা মাধ্যমে তা অর্জন করা যায় না।

৪৫) বেশি কৌতুক করলে ব্যক্তিত্ব চলে যায় আর বেশি হাসলে প্রভাব ক্ষুণ্ণ হয়।

৪৬) পৃথিবীতে যত পাত্র আছে তাতে কিছু রাখা হলে তার স্থান ছোট হয়ে আসে। তবে জ্ঞানের পাত্র এর ব্যতিক্রম। এতে যতই জ্ঞান ঢালা হয় তত তা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

৪৭) মূর্খতার মত দরিদ্রতা আর জ্ঞানের মত সম্পদ কিছু নেই

৪৮) লোকমান (রহ:) বলেন: মানুষ যখন গর্ব করে সুন্দরভাবে কথা বলার মাধ্যমে; তুমি তখন গর্ব কর নীরবতা সহকারে অন্যের কথা সুন্দরভাবে শোনার মাধ্যমে।

৫০) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুকাফ্ফা বলেন: তুমি যদি করো উপকার কর তবে সাবধান! কখনো তা তার কাছে উল্লেখ কর না। আর কেউ যদি তোমার উপকার করে তবে সাবধান! কখনো তা ভুলো না।

৫১) তিনি আরও বলেন: যা কিছু শোন সেগুলো থেকে সব চেয়ে ভাল কথাগুলো লিখে রাখ। আর যা কিছু লেখ সেগুলো থেকে সব চেয়ে ভালোকথা গুলো সংরক্ষণ কর আর যা কিছু শোন সেগুলো থেকে চেয়ে ভাল কথাগুলো মানুষকে বল।

৫২) যে ব্যক্তি কাউকে গোপনে উপদেশ দিল সে তাকে খুশি করল ও সুশোভিত করল আর যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে কাউকে উপদেশ দিল সে যেন তাকে লাঞ্ছিত ও কলঙ্কিত করল।

৫৩) জনৈক জ্ঞানী বলেন: সব কিছুই ছোট আকারে শুরু হয় পাপ ছাড়া। কারণ, কেউ বড় পাপ করতে শুরু করলে আস্তে আস্তে তা তার নিকট ছোট মনে হয়। আর কোন কিছু অতিরিক্ত হলে তার মূল্য কমে যায় আদব বা ভদ্রতা ছাড়া। কারণ, আদব যতই বৃদ্ধি পায় তার মূল্য ততই বেড়ে যায়।

৫৪) জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হল, আপনি জ্ঞান কোথা থেকে অর্জন করেছেন? তিনি বললেন, অন্ধের কাছ থেকে। কারণ, সে মাটিতে পা ফেলে না লাঠি দ্বারা তা ভালভাবে পরীক্ষা না করে।

৫৫) জনৈক দার্শনিক বলেন: মানুষ তিন প্রকার। একশ্রেণীর মানুষ হল খাদ্যের মত যাদের দরকার হয় সবসময়। আরেক শ্রেণীর মানুষ হল, ওষুধের মত যাদের দরকার হয় মাঝে মাঝে। আরেক শ্রেণীর মানুষ হল রোগের মত যা আপনার কখনোই দরকার হয় না।

৫৬)পানি গর্ত সৃষ্টি করে। কিন্তু তা শক্তি দিয়ে নয় বরং অব্যাহত পতনের মাধ্যমে।

৫৭)কথা যদি অন্তর থেকে বের হয় তবে তা অন্তরে প্রবেশ করে। কিন্তু তা যদি শুধু মুখ থেকে বের হয় তা কান অতিক্রম করে না।

৫৮) ফুল থেকে শিক্ষা নাও প্রফুল্লতা, ঘুঘু থেকে শিক্ষা নাও নম্রতা, মৌমাছি থেকে শিক্ষা নাও শৃঙ্খলা, পিপীলিকা থেকে শিক্ষা নাও কাজ আর মোরগ থেকে শিক্ষা নাও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা।


cricket live

Posted by আব্দুল গাফফার on September 26, 2012 at 12:40 AM Comments comments (0)

এখানে লাইফ ক্রিকেট দেখার লিংকhttp://www.cricvid.com/

chotto belai ekti meye

Posted by আব্দুল গাফফার on September 17, 2012 at 2:00 PM Comments comments (0)

 

ছোট্ট বেলায় লাল টুকটুকে একটি মেয়ে

আমার মন ছুয়ে যায় ।

 

সেই দিন থেকে আজ অবধি ,

তাকে ভুলিতে পারি নাই

এ কেমন ভালবাসা , এ কেমন ভাল লাগা

যত ভুলিতে চাই তারে তত আরও মনে পড়ে যায় ।

 

জীবনে চলার পথে কত কিছু হয়ে যায়

পাওয়া না পাওয়ার বেদনায়

হাজারো পাবার মাঝে ,না পাবার দুঃখ তবু

তাকে যদি হারায় ।

 

আমি তাকে ভালবাসি , তাকে ভেবে কাঁদে আঁখি

সেত বুঝেনা ।

সে থাকে দূরে দূরে আমাকে পর ভেবে

ভালোবেসে কেন এত যন্ত্রণা ।


এখানে চাপুনhttp://www.sonarbangladesh.com/blog/gaffer/126797

??? ?????

Posted by আব্দুল গাফফার on September 17, 2012 at 1:50 PM Comments comments (0)

লোকে বলে মানুষ,

আমি নাকি ভাল মানুষ

আমি ত ভাল নয়

জানে এ হৃদয়

তবুও কেন লোকে কয় ?

আমি নাকি ভাল মানুষ ।

 

আমি চাই থাকতে ,একা একা

কেউ বুঝেনা সেই কথা

সবাই ভেবে যায় আমি নিষ্পাপ , নির্দোষ ।

 

পশু পাখির মুখটি দেখে বলা যায়

সে কত হিংস্র ।

আমার মুখটি দেখে বুঝেনা কেউ

আমিও যে একটি দানব ।

ami abar lengta hobo

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:45 AM Comments comments (0)

আমি যে ল্যাংটা ছিলাম ,আবার ত ল্যাংটা হয়ে যাব

ক্ষণিকের জন্য আসা ,ক্ষনিকেই চলে যাওয়া

দম মুঝলেই হবে সব এলোমেলো ।

কেউ আসবে দেখতে ,কেউ বা কিছু চাইতে

সম্বল হীন আমি ল্যাংটা কি বলিব

আলোহীন কবরে আমাকে রাখিবে

সংগের সাথি কেউ হবে না

আমি একা রব ।

আমি যে ল্যাংটা ছিলাম, আবার যে ল্যাংটা হয়ে যাব

amar baba

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:40 AM Comments comments (0)

বাবা আমার বাবা ,তুমি কি ভেবেছ ,

তুমি ছাড়া আমি নয় একা

আছি আমি একটু দূরে

তাই ভেবেছ গেছি ভুলে

আমি আমার আমিকে ভুলতে পারি

তোমাকে পারবনা

তুমি আমার জন্ম দাতা বাবা

বাবা আমার বাবা ,আমার বন্ধু ,আমার স্বপ্ন

তোমাকে নিয়ে গর্ব আমার

সারা বিশ্বময় ।

আমার বাবার মত বাবা ,আছে কয় জনা

আমার বাবা শুধুই আমার

তার হয়না তুলনা ।

আমি জেনেও তোমার আদলে গড়তে পারি জীবন

এই কামনায় করে যেও বাবা সারাক্ষণ

bhalo basa oporadh

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:40 AM Comments comments (0)

তোমাকে ভালবেসেছি এটাই ছিল মোর অপরাধ

তোমাকে আপন ভেবে কাছে ডেকেছি তাইত পেলাম আঘাত

আমি ভুল বোঝে কোন ভুল করিনাই

ভুল যদি করে থাকি ক্ষমা চাই ।

তুমি সুন্দর তাই তোমার প্রাণে চেয়ে থেকেছি

তোমার ওই হাঁসি মাখা মুখটি দেখে কবিতা ছড়া লেখেছি

ভালবাসা যদি হয় অপরাধ ,দিয়ে যাও আরও তুমি অভিশাপ

আঘাতে আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়ে মনটি যেন মরে যায় ।


ei ekti kobita

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:35 AM Comments comments (0)

প্রতি দিন এই একটি কবিতা ,আমাকে কাঁদায়

সেও কাঁদে ,কেন কাঁদে কিছুই বলেনা

আমি কখনো কান্না দেখিনি ,
আমি কখনো কারো দুঃখে কাদিনি

তার অভিরাম কান্না দেখে আজ আমি কাঁদি

হাজারো কবিতার মাঝে এই একটি কবিতা কেন হাসেনা

হাজারও কবিতার মাঝে এই কবিতাটিও বাঁচতে চায়

তবে কি কারণে অ কারণে তার জীবনটি আজ ছিন্ন ছায়া ।

বিষয়শ্রেণী: বিবিধ

chicke chur

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:35 AM Comments comments (0)

ছিঁচকে চোরের নাম শুনেছ ভাই

ছিঁচকে চোরের নাম

সবার মাঝে চুপটি বসে

করে সব বদনাম

কাজের সময় কাজী দেখায়

বাস্তবটায় নেই মিল

ধর ধর ধরও ওরে

দেও ঘুষি কিল

টুপি পড়লেই হয় নাকি

খাঁটি মুসলমান

এই কথাটি কোথায় পেলে

কোন কিতাবের বয়ান

সহজ কথাটি ভুলে গিয়ে

করছিছ আবল তাবল

দেশের মানুষ সবাই জানে

কি করে ছিল তোদের পরিমল ।

ami kobita lekhbona

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:30 AM Comments comments (0)

আমি কবিতা লেখব না ,

আমি গান লেখব না

আমি তোমাকে ভেবে স্বপ্নও দেখব না

তোমার মাঝে শুধুই তুমি , আমার মাঝে শুধুই আমি

আজ থেকে এত টুকুই ব্যবধান ।

আমি তোমার ওই হাসি টাকে ঘৃণা করি

আমি তোমার ওই মন টাকে ঘৃণা করি

আর কত কাঁদব বল তোমার ছলনায়

তুমি ভেবেছ তোমার জীবনে হয়েছি কাঁটা

মনের অজান্তে হয়তবা কোন দিন তোমাকে দিয়েছি ব্যথা

তুমি চেয়েছ অগাধ সুখী হতে , ভাসিয়ে আমায় কান্নায় ।

kolongko

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:25 AM Comments comments (0)

আমার এ জীবন , জীবন নয়

জীবন নামে কলঙ্ক

আমি শান্ত হয়ে গেছি অশান্ত

মানবতা বিরোধী কাজ করে যায় সারা ক্ষণ

আমার মন বলে কিছু নেই

হৃদয় বলেও কিছু নেই

আমি সর্বহারা আপনাতেই

সবার জীবনে স্বপ্ন থাকে

আমার স্বপ্ন গুলো মিছে মিছে

যে দিকে তাকায় থাকে আঁধারে আচ্ছন্ন সারা ক্ষণ ।

ma

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:20 AM Comments comments (0)

আমি টাকা চাইনা ,আমি পয়সা চাইনা

চাই যে তরে মা

তোর মত আপন কেউ হবেনা

এই দুনিয়ায় ।

নিজে না খেয়ে মা তুই খাওয়ায় ছিলি মোরে অন্ন

বাধ্য মাগো করিতে তোর সেবা আমার জীবনের আসন্ন

তুই আছিস বলে আজও স্বপ্ন দেখি ,

আঁধারেও আজও ছুটে চলি নির্ভাবনায় ।

জীবনে চলার পথে কত কিছু হয়ে যায়

পাওয়া না পাওয়ার বেদনায়

হাজারও পাবার মাঝে না পাবার দুঃখ শুধু

তোকে যদি মা হারায় ।[-


amar jibon

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:20 AM Comments comments (0)

আমার এ জীবন কেন যে এমন হল

পাওয়া সুখে না পাওয়া কোন দুঃখে

মনটা আজ এলোমেলো

জানি না কি অপরাধে , অপরাধী আমি

জানি না কি ভুলে ভুল বুঝে সবই

আমি এখন একা একা ভাল নেই তবুও পড়ে থাকা

জানি আর কত দিন ।

সবার জীবনে স্বপ্ন থাকে

আমার স্বপ্ন গুলো মিছে মিছে কেন ভেংগে যায়

পাই না বুঝে এই জীবনের কি মানে

আমি এখন মেঘ পাখির মত

থাকি ওই আকাশে তাকিয়ে

??? ???? ????

Posted by আব্দুল গাফফার on August 30, 2012 at 1:20 AM Comments comments (0)

হেয় মেয়ে শুনো

আমি তোমাকে নয়

তোমার ওই মনটাকে ভালবাসি

হেয় মেয়ে শুনো

আমি তোমাকে নয়

তোমার ওই হাসিটাকে ভালবাসি

হেয় মেয়ে শুনো

আমি তোমাকে নয়

তোমার ওই চুল দেখে চেয়ে থাকি

হেয় মেয়ে শুনো

আমি তোমাকে নয়

তোমার ওই ছায়া পেতে ছুটে আসি

বল তুমি বল,আমি কি তোমার প্রেমে পড়েছি ।

ভালবাসা ভাললাগা কারে কয়

সে ত আজও বুঝিনি

শুধু জানি আমার এমন

তোমার মনের ভিখারি ।

তোমার ওই মনটি আমায় ভিক্ষা দাও

বিনিময়ে আমি তোমায়

দিব আমার এ পৃথিবী

এই আমি ভাবিনী সেই তুমি

আমার মন ছুয়ে যাবে

দেখার মাঝেও না দেখা

পাবার মাঝে না পাওয়া

এই হৃদয়ে আজ তোমায় জুড়ে ।

????? ???? ??? ??? ???

Posted by আব্দুল গাফফার on June 17, 2012 at 3:40 PM Comments comments (0)

প্রতি দিনের মতই আজ কেউ  কাজ শেষে  গোসল ,তার পর পুরানো অভ্যাস মোবাইল নিয়ে কথা , না বললে ভাল লাগেনা কাজের সময় কোম্পানির মোবাইল সারা দিন কথা বলি টাকা কাটেনা বলে ,আমার মোবাইলে টাকা কাটলেও কথা বলা যেন আমার একটা বেরাম না বললে কিচ্ছু ভাল লাগেনা ,তাই আমাকে চয়েছ করতে হয় কথা কার নাম্বারে বললে মনটা আরও ভাল লাগবে তাই বন্ধু দের সাথেই কথা  হয় কি  করিছ ,কি খেলি ইত্যাদি ইত্যাদি প্রয়োজনই অ প্রয়োজনীয় সব কথায়  । আজ কে কথা বলছিলাম আমার বন্ধুর মাধ্যমে  আমার এক আত্মীয়  কে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা জন্য কিছু টাকা ওর মাধ্যমে পাঠাব ,এই কথা  মাঝে বুন্ধুদের কি হালচাল প্রশ্নটি করতেয় থমকে গেলো সে, বলছি হ্যালো শুনতে পারছিছ হা বলে কি হল কথা বলিস না যে  , আজকে একটি দুরসংবাদ আছে ,কি দুরসংবাদ বল খুলে বল ,আমাদের ক্লাস মেট আব্দুল বারিক কে চিনতে পারছিছ আমি বললাম হা্‌,ওই আব্দুল বারিক না যে ফুটবল খেলে আমাদের মান রেখে ছিল্‌,বলে হা ,হা কি হয়েছে ওর ? সে আর নেই চিরদিনের জন্য আমাদের ছেড়ে চলে গেছে আমি স্তব্ধ  আমি মানতে পাচ্ছিনা কেন সে আমাদের ছেড়ে অচেনা অজানা দেশে চলে যাবে ,ওকে প্রশ্ন করি কি হয়েছিল খুলে বল , আমি তেমন ভাল ভাবে জানিনা তবে যতটুকু জানি শুনেছি তার কয়েক দিন  যাবত পাতলা পায়খানা হচ্ছিল সাথে ছুগার ও যায় শুনেছি তা ছাড়া পারিবারিক কিছু সমস্যা ছিল । বলি মারা গেল  কিভাবে ? পাশে নদীতে গোছল করতে গিয়েছিল ওখানেয় ওকে পাওয়া যায় ।সেত সাঁতার জানে , হা পানিতেয় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় ধারণা করা হচ্ছে শরীর দুর্বল ছিল আগে থেকেই হয়ত পানি থেকে ওটতে পারিনি, সবাই জানার পর নদীর ওপাশেয় হাঁসপাতালে নিয়ে যায় তার কিছু ক্ষণ  পর দায়িত্ব রত ডাক্তার তাকে  মৃত বলে  ঘোষণা দেয় সবার কান্নায় ভেংগে পরে একটি কোমল তরতাজা প্রাণ দুনিয়া থেকে চলে যাবে কেউ মেনে নিতে পারছেনা ,আমি যেহেতু প্রবাসে অনেক দিন বলতে অর্ধ যুগের উপরে চলছে

তাই অনেক কিছুই জানি না অনেকের ব্যাপারে  বললাম সে কি বিয়ে করেছিল ? হা বিয়ে করে এবং তার ফুটফুটে দুটি বাচ্চা আছে শুনে আরও আরও চিন্তায় ভেংগে পরি ,কতয় না স্বপ্ন ছিল তার বাচ্চা দুট নিয়ে আহ! মানতে পাচ্ছিনা প্রবাস জীবনে অনেক টাকা উপার্জন করেছি যেটা বাংলাদেশে থাকলে ৫০ বছরেও আয় করা সম্ভব না আজ আমি  জানি না আমার বন্ধু টা কেমন চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল  ,চিকিৎসার  অভাবেয় কি তার অকাল মৃত্যু আসলে আমি  মানতে পাচ্ছিনা প্রবাসে এসে কোন দিন কথাও বলতে পারিনি জানতাম বুন্ধরা সবায় ভাল আছে কেউ কেউ সরকারী জব করছে আসলে সব কিছু ঠিকই ছিল মনে হত আজ এই বন্ধু টির শূন্যতা কি পূরণ হবার ? বন্ধু হিসাবে বলতে গেলে অনেক চুতুর  ,দুষ্ট চুরি করে আম পেরে আমাদের খাওয়াত লেখা পড়া তেমন মনোযোগী ছিল না সারা ক্ষন খেলা দুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকত এর জন্য স্যার রাও অনেক বেত আঘাত করত কিন্তু স্যার দের সাথে কোন  দুষ্টামি করেনি  স্যার রাও তাকে অনেক ভালবাসত বিশেষ করে খেলা দুলায় সময় ওর কদর ছিল অতুলনীয়  পারিপার্শ্বিক সব মিলিয়ে পড়া শুনায় আগাতে পারিনী ,তার পরেও আমাদের সবারি খোঁজ খবর  রাখত , আজকে তার  অনুপস্থিতি আমাকে করেছে স্তব্ধ  করেছে অপরাধী  জানি আমি মাফ পাবার যোগ্যতা অনেক আগেয় হারিয়ে ফেলেছি ।

GOLPO?

Posted by আব্দুল গাফফার on May 15, 2012 at 1:50 PM Comments comments (0)

HH

ভোর ৪,৫০ মিনিট হঠাৎ আমার ঘুম ভেংগে যায় কোন আওয়াজে নিচে চেয়ে দেখি পুলিশের গাড়ি ,

একটা নয় কয়েকটা গাড়ি পুলিশ গুলো নিচের তলায় গেটটি খোলার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে পাশে রুমের

এক হিন্দি আমাকে গেট খোলার জন্য অনুরোধ করছে এক পর যায়ে গেটতিখুলে দেই

পুলিশ গুলো আমি যে গভীর ঘুম থেকে উঠে এসেছি এইটা তারা বুঝতে পারে আমাকে কিছু না বলে

এদিক ওদিক ছুটা ছুটি করে এক কথায় তারা কাউকে খুচ্ছে ,হই অল্ল শব্দ পেয়ে কেউ কেউ ঘুম থেকে

উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে আচ্ছে পুলিশ গুলো লোক গুলোর মধ্য যাদের যাদের ডাওট মনে হচ্ছে তাদেরকে

বুকের ডান পাশে হাত দিচ্ছে চর কিল ও দিতছে আর এক পুলিশ অন্য পুলিশ কে বলছে হাদা মঙ্কিন

মানে কাওকে শিওর করে বলা ও না এ মজার বেপার যাদের মুখে দাঁড়ি নেই তাদেরকে কি বলছেনা

যাদের মুখে দাড়ি তাদের মোবাইল চেক করছে কেও এই সময়ে ফোন করেছে কিনা ইত্যাদি আমাকেও কিছু

বলল না সবাই আমাকে প্রশ্ন করছে পুলিশ কি চায় আমিও এক পর্যায়ে পুলিশ কে বলি এস মুশকিল মানে কি

হইছে জবাবে বলে হারামি ডুকেছে এই ফ্ল্যাটে সবাই বুঝতে পারলো ।কাউকে ধর পাকর না করে বেরিয়ে গেলো ,

সবাই আবার যার যার মতে ঘুমিয়ে গেল আমিও ঘুমি গেলাম প্রায় ১৫ মিনিট পর আবার দেখি পুলিশের গাড়ির

আওয়াজ কি বেপার পুলিশ উপরে চলে আসলো আবার সবাইকে সন্দেহ মনে করে অনুমান করতে চেষ্টা করেন

বিশেষ করে যাদের মুখে দাড়ি দেখতে মোটামুটি কাল তাদের অনেকের মাঝে মাকেই সন্দহ মনে করে নিয়ে যায়

আমার বাসার পাশে আর একটা বাসায় এই মাঝে কেও বুঝতে পাচ্ছেনা আসলে কি হচ্ছে ,আমি বুঝতে পাচ্ছিনা

বাসা উলাকে পুলিশ জিজ্ঞাসা করে দেখ এই ছেলে নাকি সোদিটি বলে অল্লাহে আনা মাফি মালুম ম্নকিন হাদা মানে

আমি শোওর না মনে হয় এই হবে , আমি প্রশ্নের জবাবে বলি ইয়া আকু লেশ সাওই জুলুম আনা ,আনা ইন্তা বেত

মিতা ইজি ইন্তা আওয়াল সফ আনা অর্থাৎ আমি বলি আমি তুকে চিনিনা জানি না তর বাড়ীতে কোন দিন দেখছচ আমাকে

আমাকে কেন ঝামেলাই জরাছিচ শুনে আবার বলে আনা মাফি মালুম ম্নকিন ইন্তা এক পর্যায়ে আমি বোঝতে পারি অর বাসায়

এক জন্য খারিজী এসেছিল অর্থাৎ ভিনদেশি লোক অর বাসায় ইন্দনিশি কাজের মেয়ের সাথে অবইধ কাজ করতে এসেছিল

বলে সে সন্দহ করেছে ইন্দনিশি মেয়েটিকেও আমি প্রথম বারের মত দেখতে পেলাম তাকেও পুলিশের সামনে হাজির করা হয়েছে

তাকে এক পর্যায়ে আমার আকুতি মাকুতি না শুনে থানাতে নিয়ে যায় । আমার জবান বন্দি লিপি বদ্ধ হচ্ছে আমি ওই বাসায় গেছি

কিনা ইন্দনিশির সাথে আমার কত দিন যাবত সম্পর্ক ইত্যাদি অনেক প্রশ্ন করে আমি এক কথাই বলি আমি কিছু জানিনা

আমি ওই সোদিকেও চিনিনা এদিকে আমার কম্পানির সুপার ভাইজার খবর পেয়ে থানাতে ছুটে আসে

আমি বলী আমি কোন কিছুই জানিনা সুপার ভাইজার সব শুনে বলে চিন্তা করিনা আমি একটু পরে আবার আসব

আমারও মনে কোন ভয় নেই আমি কিছু জানিনা আমি কোন দোষ করিনাই কেন টেনশন করব ।


??????? ???? ??????

Posted by আব্দুল গাফফার on May 11, 2012 at 4:10 AM Comments comments (0)

বিবেকের কাছে প্রশ্ন

মানব জাতি পৃথিবীর ১৮ হাজার সৃষ্টির ,সেরা মাক্লুকাত ,আল্লাহ পাক তার পাক কুরআনে বর্ণনা করেছেন , আল্লাহ আমাদের বিবেক, বুদ্ধি ,দিয়ে সৃষ্টি করে তা প্রমাণ করে ।সে জন্য আমরা তার নিয়ামত বেশি পেয়ে থাকি ,অসুক- বেসুকে আমরা নিজের অনুভতি ,অন্যর কাছে প্রকাশ করি, মানবতার সেবাই বিভিন্ন হাস্পাতালে ছুটে আসি। তেমনি অসুস্থ সবুর আলি পেশায় এক জন্য চাষি ,বেশ কয়েক বছর আগে তার দুটো চোখে সমস্যা দেখা দেয় গরীব হইয়ায় সময় মত চিকিৎসা হতে পারেনি ,ভেবে ছিল আপনা আপনি ভাল হয়ে যাবে ।এক পর্যায়ে তার দুটো চোখ প্রায় বিকল হইয়ে যায়।

অবশেষে মানুষ জনের পরামর্শ পেয়ে ছুটে আসে অপজিলা হসপিটালে, হসপিটালটি সময়ের তালে তালে অনেক অগ্রসর হয়েছে।অনেক ভাল ভাল ডাক্তার ,আম্বিবিয়েস এই হাস্পাতালে রোগী দেখেন ,আলতাছুনু ,মিয়েদের বাচ্চা ডেলিভারি, আরও অনেক সেবা । সব কিছু শুনেই এসেছিল এই সবুর আলি , প্রথমে একটা ছিলিপ নেয় তার পর লায়িনে দাঁড়ায় এক পর্যায়ে সে ডাক্তারের কাছে যায় ,ডাক্তার তাকে প্রশ্ন করে ,সেও তার সমস্যার কথা বলে ডাক্তার সব কিছু শুনে বলে এইটা চক্ষু হাস্পাতাল না ,চক্ষু হাস্পাতালে যায় তে বলে সবুর হতাশ হয়ে বলে কত টাকা লাগবে স্যার শুনে বলে তর জমি ,বিক্রি করে ওষুধ কিনতে হবে,সবুর আকাশ থেকে পডে এত টাকা সে কথায় পাবে ,ডাক্তার কে অনেক রিকুয়েস্ট করে স্যার আমি গরীব মানুষ আমি এত টাকা দিয়ে ওষুধ কিনব কি করে এই হাস্পাতাল থেকেই কিছু ওষুধ দেন ,আমি গরিব মানুষ আমাকে একটু দয়া করেন স্যার ,ডাক্তার রাগান্নিত হয়ে কয়েক টা চর কীল দেয় । সবুর নিচে পড়ে কান্নায় ভেংগে পড়ে,কয়েক মিনিটের ব্যবধানে অনেক লোক সমাগম হয় ।পরে ডাক্তার পালিয়ে যায় । সাংবাদিক কর্মী খবর পেয়ে ছুটে আসেন লেখা লেখি করেন কাল সারা দেশ জুড়ে বিবেক বান মানুষ পড়বেন তাতে করে কি লাভ এমন ঘটনা নতুন কিছুত নয়, শুনা যায় সে নাকি ক্ষমতা বান দলের পুষ্ট পুশটক্তায় এমন বেপুরুয়া হয়ে ওঠেছেন ।সবুর মিয়ার সবুর করা সাড়া আর কিবা করার কারণ সেত এক জন্য চাষি ,তার আবার কিসের মান সম্মান ।

 

 


সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমযান

Posted by আব্দুল গাফফার on August 13, 2011 at 3:25 AM Comments comments (0)

মনির হোসেন হেলালী

মুত্তাকি হওয়ার প্রশিক্ষণ দিতে প্রতিবছরই সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমযান আসে আমাদের দুয়ারে। সিয়ামের শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা। ফার্সী ভাষায় এটাকে রোযা বলা হয়। রোযা একটি ফরজ ইবাদাত। এটি দ্বিতীয় হিজরীতে ফরজ করা হয়েছে। রোযা ফরজ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের উপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। (বাকারাহ : ১৮৩)

রমযান মাসের পরিচয়ে আল্লাহ বলেন, রমযান হলো সেই মাস যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছিল। মানবজাতির জন্য হিদায়াত ও সুস্পষ্ট পথ নির্দেশক এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য নির্ণয়কারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারাই এ মাস পাবে তারা যেন অবশ্যই সিয়াম পালন করে। (বাকারাহ : ১৮৫) । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি : (১) এ মর্মে সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া আর সত্যিকার কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল, (২) সলাত কায়েম করা, (৩) যাকাত দেয়া, (৪) রমযান মাসের সিয়াম পালন করা এবং (৫) সক্ষম ব্যক্তির হজ্জ আদায় করা। (বুখারী ও মুসলিম)

রমযান মাসের ফযীলত

রমযান চন্দ্র মাসের একটি অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের ফযীলত অপরিসীম। নীচে রমযান মাসের কিছু ফযীলত তুলে ধরা হল :

১. রমযান হল কুরআন নাযিলের মাস। আল্লাহ তা’আলা বলেন, “রমযান মাসÑ যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে।” (আল-বাকারা : ১৮৫)

সিয়াম যেমন এ মাসে, কুরআনও নাযিল হয়েছে এ মাসেই। ইতিপূর্বেকার তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জীলসহ যাবতীয় সকল আসমানী কিতাব এ মাহে রমযানেই নাযিল হয়েছিল। (সহীহ আল জামে)

এ মাসেই জিবরীল আলাইহিস সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুরআন শুনাতেন এবং তাঁর কাছ থেকে তিলাওয়াত শুনতেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনের শেষ রমযানে পূর্ণ কুরআন দু’বার খতম করেছেন। (মুসলিম)

২. এ মাসের সিয়াম পালন জান্নাত লাভের একটি মাধ্যম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনল, সলাত কায়েম করল, যাকাত আদায় করল, রমযান মাসে সিয়াম পালন করল তার জন্য আল্লাহর ওপর সে বান্দার অধিকার হল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়া। (বুখারী)

৩. রমযান মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। হাদীসে এসেছে “যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় আর জাহ্ন্নাামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করা হয়।” (মুসলিম)

আর এজন্যই এ মাসে মানুষ ধর্ম-কর্ম ও নেক আমলের দিকে অধিক তৎপর হয় এবং মসজিদের মুসল্লীদের ভীড় অধিকতর হয়।

৪. এ রমযান মাসের লাইলাতুল কদরের এক রাতের ইবাদত অপরাপর এক হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি। অর্থাৎ ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সাওয়াব হয় এ মাসের ঐ এক রজনীর ইবাদতে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “কদরের একর াতের ইবাদত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ রাতে ফেরেশতা আর রূহ (জিবরীল আঃ) তার রব-এর অনুমতিক্রমে প্রত্যেক কাজে দুনিয়ায় অবতীর্ণ হয়। (এ রাতে বিরাজ করে) শান্তি আর শান্তিÑ তা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত থাকে।” (সূরা ক্বদর : ৪-৫)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল সে মূলতঃ সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল।”

৫. এ পুরো মাস জুড়ে দু‘আ কবুল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এ রমযান মাসে প্রত্যেক মুসলমান আল্লাহর সমীপে যে দু‘আই করে থাকেÑতা মঞ্জুর হয়ে যায়।”

৬. এ মাস জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এ মাসের প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে আহ্বান করতে থাকে যে, হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী তুমি আরো অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের পথিক, তোমরা অন্যায় পথ চলা বন্ধ কর। (তুমি কি জান?) এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তা‘আলা কত লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিযে থাকেন। (তিরমিযী)

৭. এ মাস ক্ষমা লাভের মাস। এ মাস ক্ষমা লাভের মাস। এ মাস পাওয়ার পরও যারা তাদের আমলনামাকে পাপ-পঙ্কিলতা মুক্ত করতে পারল না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ধিক্কার দিয়ে বলেছেন, “ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক যার কাছে রমযান মাস এসে চলে গেল অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করিয়ে নিতে পারল না।” (তিরমিযী)

৮. রমযান মাসে সৎ কর্মের প্রতিদান বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেয়া হয়। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযান মাসে কোন একটি নফল ইবাদত করল, সে যেন অন্য মাসের একটি ফরয আদায় করল। আর রমযানে যে ব্যক্তি একটি ফরয আদায় করল, সে যেন অন্য মাসের ৭০টি ফরয আদায় করল।

সিয়াম পালনের ফযীলত

সিয়াম পালনের ফযীলত অগনিত। সিয়াম পালনকারীকে আল্লাহ নিজে যথার্থ পুরস্কার দেবেন। সিয়াম পালনকারীকে যেসব পুরস্কার ও প্রতিদান আল্লাহ তা’আলা দেবেন তার কিছু অংশ এখানে উল্লেখ করা হল :

১. আল্লাহ স্বয়ং নিজে সিয়ামের প্রতিদান দেবেন। হাদীসে কুদসীতে আছে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, “মানুষের প্রতিটি ভাল কাজ নিজের জন্য হয়ে থাকে, কিন্তু সিয়াম শুধুমাত্র আমার জন্য, অতএব আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব। (বুখারী)

২. সিয়াম অতি উত্তম নেক আমল। আবূ হুরাইরা (রাঃ) একটি হাদীসে বর্ণনা করেছেন তিনি রাসুল (সাঃ) কে বললেন, “হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে একটি অতি উত্তম নেক আমলের নির্দেশ দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সিয়াম পালন কর। কেননা এর সমমর্যাদা সম্পন্ন কোন আমল নেই।” (নাসাঈ)

অন্যান্য ইবাদত মানুষ দেখতে পায়। কিন্তু সিয়ামের মধ্যে তা নেই। লোক দেখানোর কোন আলামত সিয়াম পালনে থাকে না। শুধুই আল্লাহকে খুশী করার জন্য তা করা হয়। তাই এ ইবাদতের মধ্যে রয়েছে বিশুদ্ধ ইখলাস। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “সিয়াম পালনকারী শুধুমাত্র আমাকে খুশী করার জন্যই পানাহার ও যৌন উপভোগ পরিহার করে।

৩. সিয়াম পালনকারীকে বিনা হিসেবে প্রতিদান দেয়া হয়। অন্যান্য ইবাদতের প্রতিদান আল্লাহ তা’আলা তার দয়ার বদৌলতে ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু সিয়ামের প্রতিদান ও তার সাওয়াব এর চেয়েও বেহিসেবী সংখ্যা দিয়ে গুণ দিয়ে বাড়িয়ে দেয়া হবে। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে। আল্লাহ তা’আলা বলেন, কিন্তু সিয়ামের বিষয়টি ভিন্ন। কেননা সিয়াম শুধুমাত্র আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব। (মুসলিম)

অর্থাৎ কি পরিমাণ সংখ্যা দিয়ে গুণ করে এর প্রতিদান বাড়িয়ে দেয়া হবে এর কোন হিসাব নেই, শুধুমাত্র আল্লাহই জানেন সিয়ামের পুণ্যের ভাণ্ডার কত সুবিশাল হবে।

৪. জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য সিয়াম একটি মজবুত দূর্গ। হাদীসে আছে, “সিয়াম ঢালস্বরূপ এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচার এক মজবুত দূর্গ।”

৫. আল্লাহর পথে সিয়াম পালনকারীকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে দূরে রাখেন। এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে কেউ আল্লাহর রাস্তায় (অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশী করার জন্য) একদিন সিয়াম পালন করবে, এর দ্বারা আল্লাহ তাকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে সত্তর বছরের রাস্তা পরিমাণ দূরবর্তীস্থানে রাখবেন। (বুখারী ও মুসলিম)

অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, “যে ব্যক্তি একদিন আল্লাহর পথে সিয়াম পালন করবে আল্লাহ তার কাছ থেকে জাহান্নামকে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেবেন। (মুসলিম)

৬. ইফতারের সময় বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। হাদীসে আছে, ইফতারের মূহূর্তে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। মুক্তির এ প্রক্রিয়াটি রমযানের প্রতি রাতেই চলতে থাকে। (আহমাদ)

৭. সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশ্কের চেয়েও উত্তম (সুগন্ধিতে পরিণত হয়)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র জীবন সে সত্তার শপথ করে বলছি, সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে মিশকের ঘ্রাণের চেয়েও প্রিয় হয়ে যায়। (বুখারী ও মুসলিম)

৮. সিয়াম পালনকারীর জন্য রয়েছে দু’টি বিশেষ আনন্দ মুহূর্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সিয়াম পালনকারীর জন্য দু’টো বিশেষ আনন্দ মুহূর্ত রয়েছে : একটি হল ইফতারের সময়, আর দ্বিতীয়টি হল তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। (বুখারী ও মুসলিম)

৯. সিয়াম হল গুনাহের কাফফারা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, নিশ্চয়ই নেক আমল পাপরাশি দূর করে দেয়। (সূরা হুদ : ১১৪) । নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পরিবার পরিজন, ধন-সম্পদ ও প্রতিবেশীদের নিয়ে জীবন চলার পথে যেসব গুনাহ মানুষের হয়ে যায় সালাত, সিয়াম ও দান খয়রাত সেসব গুনাহ মুছে ফেলে দেয়। (বুখারী ও মুসলিম)

১০. সিয়াম পালনকারীর এক রমযান থেকে পরবর্তী রমাযানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া ছগীরা গুনাহগুলোকে মাফ করে দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তোমরা যদি নিষিদ্ধ কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাক তাহলে তোমাদের ছগীরা গুনাহগুলোকে মুছে দেব এবং (জান্নাতে) তোমাদেরকে সম্মানজনক স্থানে প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা : ৩১)

১১. সিয়াম পালনকারীর পূর্বেকার গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব হাসিলের আশায় রমযানে সিয়াম পালন করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (বুখারী ও মুসলিম)

১৫. সিয়াম যৌন প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে রাখে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে যুবকেরা! তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ রাখে সে যেন বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি ও লজ্জাস্থানের হেফাযতকারী। আর যে ব্যক্তি বিবাহের সামর্থ রাখেনা সে যেন সিয়াম পালন করে। কারণ এটা তার জন্য নিবৃতকারী। (অর্থাৎ সিয়াম পালন যৌন প্রবৃত্তি নিবৃত করে রাখে) (বুখারী ও মুসলিম)

১৬. সিয়াম পালনকারীরা রাইয়ান নামক মহিমান্বিত এক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। জান্নাতে একটি দরজা রয়েছে। যার নাম রাইয়্যান। কিয়ামতের দিন শুধু সিয়ামপালনকারীরা ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করার জন্য। তারা প্রবেশ করার পর ঐ দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হবে। ফলে তারা ব্যতীত অন্য কেউ আর সেই দরজা দিয়ে জান্নাতে ঢুকতে পারবে না। (বুখারী ও মুসলিম)

উপরোক্ত সিয়ামের বরকতময় সাওয়াব ও পুরস্কার হাসিলের জন্য নিুোক্ত শর্তাবলী পূরণ করা আবশ্যক

১. শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশী করার জন্য সিয়াম পালন করতে হবে। মনের মধ্যে লোক দেখানোর ইচ্ছা বা অপরকে শুনানোর কোন ক্ষুদ্র অনুভূতি থাকতে পারবে না।

২. সিয়াম পালন, সাহরী, ইফতার ও তারাবীহসহ সকল ইবাদত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত তরীকামত পালন করতে হবে।

৩. খাওয়া-দাওয়া ও যৌনাচার ত্যাগের মত মিথ্যা, প্রতারণা, সুদ, ঘুষ, অশ্লীলতা, ধোঁকাবাজি ও ঝগড়াবিবাদসহ সকল অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। চোখ, কান, জিহ্বা ও হাত পা সকল ইন্দ্রীয়কে অন্যায় কাজ থেকে হেফাযতে রাখতে হবে।

রাসূল্ল্লুাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ এবং মুর্খতা পরিত্যাগ করতে পারল না, তার রোযা রেখে শুধুমাত্র পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। (বুখারী)

তিনি আরো বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সিয়াম পালন করবে সে যেন অশ্লীল আচরণ ও চেচামেচি করা থেকে বিরত থাকে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা তার দিকে মারমুখী হয়ে আসে তবে সে যেন তাকে বলে ‘আমি রোযাদার’। (অর্থাৎ রোযা অবস্থায় আমি গালিগালাজ ও মারামারি করতে পারি না। (মুসলিম)

অন্য হাদীসে তিনি বলেন, এমন অনেক রোযাদার আছে যার রোযা থেকে প্রাপ্তি হচ্ছে শুধুমাত্র ক্ষুধা ও তৃষ্ণা। তেমনি কিছু নামাযী আছে যাদের নামায কোন নামাযই হচ্ছে না। শুধু যেন রাত জাগছে। (অর্থাৎ সালাত আদায় ও সিয়াম পালন সুন্নাত তরীকামত না হওয়ার কারণে এবং মিথ্যা প্রতারণা ও পাপাচার ত্যাগ না করায় তাদের রোযা ও নামায কোনটাই কবুল হচ্ছে না) (আহমাদ)

৪. ঈমান ভঙ্গ হয়ে যায় বা ঈমান থেকে বহিস্কৃত হয়ে যায় এমন কোন পাপাচার থেকে বিরত থাকা।

লেখক:

গবেষক, নির্বাহী সম্পাদক- মাসিক তানযীমুল উম্মাহ।

 


Rss_feed